অদ্ভুত_মেয়ে (season 2) Part- 12

0
2862

অদ্ভুত_মেয়ে (season 2)
Part- 12
Writer: #Nur_Nafisa
.
.
এ কোথায় নিয়ে এলো ইমরান তাকে! নাফিসা ভাবতেও পারেনি এখানে নিয়ে আসবে ইমরান! এটা ফাহিম ভাইয়ার অফিস! ফাহিম ভাইয়া কেবিনে বসে কাজ করছিলো। তাদের দেখে খুব খুশি হলো সাথে অবাকও হলো। ইমরান ও নাফিসা সালাম দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো।
ফাহিম- আরে, তোমরা এখানে!
ইমরান- হুম। ডিস্টার্ব করলাম?
ফাহিম- আরে কি বলো! কিন্তু হঠাৎ কি মনে করে? কোথাও এসেছিলে নাকি এদিকে?
নাফিসা- হ্যাঁ। ফাহিম ভাইয়ার অফিসে এসেছি এদিকে।
ফাহিম- হা হা হা… বসো।
ইমরান চেয়ার টেনে বসে পড়লো আর নাফিসা চারদেয়ালে গ্লাস লাগানো মাঝারি আকৃতির পুরো কেবিনটা হেটে দেখলো। তারপর চেয়ারে বসে বললো,
নাফিসা- বাহ! পরিবেশটা অনেক সুন্দর।
ফাহিম- গাছপালা নেই তো!
নাফিসা- দূর! অফিসের পরিবেশটা অনেক সুন্দর।
ফাহিম- অহ, আচ্ছা। ইমরান সত্যি করে বলো তো, কোথায় গিয়েছিলে তোমরা?
ইমরান- কোথাও না। এমনি ঘুরতে বের হয়েছি। নাফিসা বললো, আজ সারাদিন ঘুরবে তাই ভাবলাম আপনার অফিসেও ঘুরে যাই। ঘুরাও হলো, অফিসটা নাফিসাকে দেখানোও হলো।
ফাহিম- সারাদিন ঘুরবে! দিনের অর্ধেক শেষ না হতেই তো দুজনকে ক্লান্ত দেখাচ্ছে! কি খাবে বলো।
নাফিসা- রেস্টুরেন্ট দিয়েছেন নাকি!
ফাহিম- হুম, অফিসের কর্মীদের জন্য রেস্টুরেন্ট দেওয়া হেয়েছে।
নাফিসা- সরি, আমরা অফিসের কর্মী না।
ইমরান ও ফাহিম ভাইয়া উভয়েই হাসলো।
ফাহিম- আমাদের রেস্টুরেন্টে মেহমানদের জন্যও সুব্যবস্থা আছে। বলো, কি খাবে?
নাফিসা- দুপুরের গরমে এক কাপ হট কফি হলে ভালো হয়।
ইমরান- হট কফি নাকি কোল্ড কফি?
নাফিসা- ডাক্তার দেখাও। এক কথা একাধিক বার বলতে হয় তোমাকে! হট কফি বলেছি হট কফি।
ইমরান- আমার ডাক্তার দেখানোর আগে তোকে মেন্টাল হসপিটালে ভর্তি করানো দরকার। গরমের দিনে ভরদুপুরে গরম কফি খায় কোন পাগলে!
নাফিসা- এসি রুমে বসেও তোমার গরম লাগে! রেফ্রিজারেটরের ভেতর রাখা দরকার তোমাকে।
তাদের কথা শুনে ফাহিম ভাইয়া হাসতে হাসতে বেল চেপে পিওনকে ডাকলো। পিওন এলে ফাহিম ভাইয়া বললো,
ফাহিম- এবার বলো, কে কি খাবে?
নাফিসা- শুধু এক কাপ হট কফি।
ফাহিম- সাথে বিস্কুট, কেক?
নাফিসা- উহুম, কিছু না।
ফাহিম- ইমরান কি খাবে?
ইমরান ঘাড়টা একটু ডানেবামে হেলিয়ে বললো,
ইমরান- শুধু এক কাপ হট কফি।
নাফিসা- হুহ্! অন্যের টা কপি করে!
ইমরান- পাগলের সাথে থাকলে তো মানুষ পাগলই হবে। তাই না!
ফাহিম- হাহাহা… আর কিছু না?
ইমরান- না।
ফাহিম ভাইয়া ৩ কাপ হট কফি আনতে বললেন পিওনকে। গরমের দুপুরে এসি রুমে বসে বসে ৩ জনই হট কফি খাচ্ছে আর গল্প করছে।
নাফিসা- ভাইয়া জানেন! ক্লাস নাইনে থাকতে সব ফ্রেন্ডরা মিলে একদিন টিফিন টাইমে গ্রীষ্মের দুপুরে কফি শপে গিয়েছি কফি খেতে। এমনিতেই প্রচন্ড গরম! মাথার উপর ছোট একটা পাখা ছিলো। বাতাস তো লাগেই নি, তারউপর, কফিশপের আকৃতি মুরগির কোঠার মতো। এক এক জন ঘেমে একাকার, তবুও কফি খেয়ে এসেছি। সবারই জিভ পুড়ে গেছে।
নাফিসার কফির গল্প শুনে ইমরান ও ফাহিম ভাইয়া অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো!
ফাহিম- ইমরান নাফিসাকে নিয়ে বাসায় যাও। লাঞ্চ করে রেস্ট নাও। আমি ইমাকে কল করে বলে দিচ্ছি।
নাফিসা- না ভাইয়া! বাসায় যাবো, তবে না জানিয়ে। আপুও সারপ্রাইজড হবে।
ইমরান- আপনি যাবেন না?
ফাহিম- না, তোমরা যাও। আমার যেতে দু-এক ঘন্টা লেট হবে।
ইমরান আর নাফিসা অফিস থেকে বেরিয়ে রিকশা নিয়ে দুপুর ২টার দিকে ইমা আপুর বাসায় চলে এলো। ইমা আপু দেখে অবাক! আজ তারা আসবে, ভাবনার বাইরে ছিলো!
ইমা- নাফিসা!!!
নাফিসা- এমন হা করে আছো কেন! হাতি ঢুকবে হাতিইইই!
ইমা- ফাজিল একটা!
নাফিসা- কেমন আছো?
ইমা- আলহামদুলিল্লাহ। তুই?
নাফিসা- আমিও আলহামদুলিল্লাহ।
ইফাজের দাদির সাথে দেখা হতেই ইমরান ও নাফিসা সালাম দিয়ে কথা বললো।
নাফিসা- বড় ভাবি বাসায় নেই?
ইমা- না, বেড়াতে গেছে। আজ সন্ধ্যার দিকে আসবে।
নাফিসা- ইফাজ কই?
ইমা- রুমে খেলছে। তোরা হঠাৎ কি মনে করে!
নাফিসা- পরশু না আমার বিয়ে, দাওয়াত দিতে এলাম।
ইমা- হিহিহি…. দাওয়াত আগেই পেয়ে গেছি। কোথায় গিয়েছিলি?
ইমরান- সবাই এক প্রশ্ন করো কেন! তোমার বাসায় এসেছি।
ইমা- আমার বাসায় আসেননি তা খুব ভালো করেই জানি! নাফিসা সত্যি করে বলতো, কোথায় গিয়েছিলি?
নাফিসা- এমনিতেই ঘুরতে বেরিয়েছি। ফাহিম ভাইয়ার অফিসেও ঘুরে এসেছি। সেখান থেকে তোমার বাসায়। তুমি এখনো এখানে কেন! আমি তো ভেবেছি নারায়ণগঞ্জ চলে গেছো!
ইমা- তোর ভাইয়ার অফিস আছে যে। তাই কাল সকালে যাবো।
ইমরান রুম থেকে কোলে করে ইফাজকে নিয়ে এলো ড্রয়িং রুমে। ইফাজ এসে লাফিয়ে নাফিসার কাছে এলো। নাফিসা কোলে নিয়ে দুই গালে দুইটা চুমু দিলো।
ইফাজ- খালামনি, তুমি আজ এসেছো কেন? আমরা তো সকালে নানু বাড়ি চলে যাবো, মামার বিয়ে খেতে!
নাফিসা- মামা নিজেই তো চলে এসেছে! তাছাড়া বিয়ে আবার খায় কিভাবে?
ইফাজ- কেন! বিয়েতে যে খাবার রান্না করে ওইগুলো খেলেই তো বিয়ে খায়।
নাফিসা- হিহিহি….. আচ্ছা! আমিও যাবো তোমাদের সাথে। নিবে না?
ইফাজ- না, তোমারও তো বিয়ে। বিয়ের দিন নিবো তোমাকে।
নাফিসা- পাকা বুড়ো একটা!
ইমা- ইফাজ নামো কোল থেকে। নাফিসা হিজাব খুলে ফেল। তোরা হাত মুখ ধুয়ে খেয়ে নে আগে। অনেক ক্লান্ত দেখাচ্ছে তোদের।
নাফিসা- নামাজ পড়বো আমি।
নাফিসা ও ইমরান দুজনেই যোহরের নামাজ আদায় করে লাঞ্চ করে নিলো। ইমা আপু, ইফাজকে ঘুমাতে বলছে। ইফাজ ঘুমাবে না। নাফিসা জোর করেই ইফাজকে রুমে নিয়ে এলো। সাথে সে ও শুয়ে পড়লো। কিছুক্ষণ পর ইমা আপুর সাথে কথা বলতে বলতে ইমরান রুমে এসে দেখলো ইফাজের সাথে নাফিসাও শুয়ে চোখ বুজে আছে। বুঝাই যাচ্ছে ঘুমিয়ে পড়েছে। ইমরান ইমা আপুকে ডাকতে নিষেধ করলো আর বললো, যতক্ষণ ঘুমাতে পারে ঘুমাক। আর রাতে যে ঘুমায় নি সে কথাও বলে দিলো। ইমা আপু কারণ জানতে চাইলে শর্টকাটে ইমরান বুঝিয়ে দিলো তাদের মাঝে ছোট খাটো একটা ঝগড়া হয়েছে, যার ফলে নাফিসা রাতে একটুও ঘুমায় নি। আর এজন্যই আজ ঘুরতে আসা। ইমা আপু এটাও বুঝে গেছে নাফিসা যেহেতু ঝগড়ার কারণে ঘুমায়নি তাহলে ইমরানও ঘুমায়নি। তাই ইমরানকেও পাশের রুমে ঘুমাতে বললো। ইমরান বললো, সে এখন ঘুমাবে না। ইমা আপু রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।
ইমরান তাদের কাছে গিয়ে নাফিসাকে টপকিয়ে ঘুমিয়ে থাকা ইফাজের কপালে একটা চুমু দিলো তারপর নাফিসার কপালেও খুব সাবধানে গভীরভাবে চুমু দিলো। আজ আর ইচ্ছে সংযত রাখেনি। ইচ্ছেটা পূরণ করেই ফেললো। নাফিসার পাশে বসেই কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো ঘুমন্ত চেহারায়। ফ্যানের স্পিডটা আরেকটু বাড়িয়ে দিয়ে সে বেডের পাশে থাকা সোফায় পা তুলে পিঠের নিচে কুশন রেখে আরাম করে বসলো। ফোনটা হাতে নিয়ে অনলাইনে কিছুক্ষণ ঘুরাফেরা করলো। তার চোখেও যেন এবার ক্লান্তি নেমে এসেছে। ফোনটা টেবিলে রেখে সোফার হাতলে মাথা রেখে চোখ বুজে রইলো। একটু পর ইমা আপু আবার রুমে এসে দেখলো ইমরানও সোফায় পা মেলে ঘুমিয়ে পড়েছে। মুচকি হেসে দরজাটা চাপিয়ে চলে গেলো। সাথে ফাহিম ভাইয়ার চেঞ্জ করার কাপড় নিয়ে গেলো। ফাহিম ভাইয়া বাসায় ফিরলে এ রুমে যেন না আসতে হয়।
.
নাফিসার ঘুম ভাঙতেই আড়মোড়া ভেঙে চোখ খুললো। দেখলো সে তার বাসায় নেই, দ্রুত শোয়া থেকে উঠে বসলো। তারপর মনে হলো সে ইমা আপুর বাসায় এসেছে। ইফাজকে ঘুমানোর জন্য নিয়ে এসে সে নিজেই ঘুমিয়ে গেছে! পাশে তাকিয়ে দেখলো ইফাজ খাটে নেই, উঠে গেছে! বিছানা থেকে নামতে নিলে দেখলো ইমরান ঘাড়ের নিচে এক কুশন রেখে আর পেটের উপর এক কুশন রেখে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। নাফিসা মনে মনে বললো, সোফায় ঘুমানোর কি প্রয়োজন ছিলো! খাটে ইফাজের ওপাশেই তো কতো জায়গা পড়ে ছিলো! এখানে শুয়ে পড়লেই পারতো!
নাফিসা ওয়াশরুম থেকে হাতমুখ ধুয়ে এলো। দেয়াল ঘড়িতে তাকিয়ে দেখলো সাড়ে ছয়টা বাজে! ঘড়ি কি নষ্ট নাকি! হাই তুলতে তুলতে রুম থেকে বেরিয়ে এসে দেখলো ইমা আপু কিচেন থেকে বের হচ্ছে।
নাফিসা- আপু ভাইয়া আসেনি?
ইমা- হ্যাঁ, নামাজে গেছে।
নাফিসা- আসরের আযান দিছে?
ইমা- মাগরিবের নামাজ পড়তে গেছে।
নাফিসা- কিহ! মাগরিবের আযান দিয়ে ফেলেছে! এতোক্ষণ ঘুমিয়েছি! আগে ডাকো নি কেন?
ইমা- শুধু শুধু ঘুম নষ্ট করতে যাবো কেন!
নাফিসা- ওফ! বাসায় যাবো কখন! তাছাড়া নামাজ ও তো পড়তাম!
ইমা- মাগরিবের নামাজ পড়ে নে।
নাফিসা রুমে এসে ইমরানকে ডেকে তুললো, তারপর ওযু করে মাগরিবের নামাজ পড়ে নিলো। ইফাজের বড় চাচিরা ও এসে পড়েছে। ইমরান ইমা আপুকে বললো, কাল সকালে যাওয়ার প্রয়োজন নেই, এখনই যেন রেডি হয়ে ইমরানের সাথে নারায়ণগঞ্জ চলে যায়। ফাহিম ভাইয়া প্রথমে রাজি হয়নি, পড়ে আবার রাজি হয়ে গেল। ইমা আপু রুমে এসে ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছে, নাফিসাও হিজাব পড়ে তৈরি হয়ে গেল। তারপর তারা ফাহিম ভাইয়ার গাড়িতে বেরিয়ে গেলো। ইফাজের চাচা চাচি দাদা-দাদি কাল বিকেলে যাবে। ফাহিম ভাইয়া ড্রাইভ করছে, পাশে ইমরান বসে আছে ইফাজকে কোলে নিয়ে। আর পেছনে ইমা আপু আর নাফিসা।
নাফিসা- আমার তো ইচ্ছে করছে এখন তোমাদের সাথে নারায়ণগঞ্জ যেতে।
ইমা- দুদিন পর যাবি।
নাফিসা- রাতে জার্নি করতে ভালো লাগছে। আরো ঘুরতে ইচ্ছে করছে।
ইমরান- সারাদিন ঘুরালাম, শখ মেটেনি!
নাফিসা- না। সারাদিন কোথায় ঘুরলাম! দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তো ঘুমালাম ই।
ফাহিম- কোথায় যাবে বলো, নিয়ে যাই।
ইমরান- কোথাও নিতে হবে না, নাফিসার বাসায় যান। ফুপি টেনশন করছে। সেই সকাল বেলা বের হয়েছে।
কিছুক্ষণ পর তারা নাফিসার বাসায় এলো। বাসা সাজানো হয়ে গেছে! মেহমানও এসেছে কয়েকজন। বাসায় ঢুকতেই মাহিন ভাইয়া বললো,
মাহিন- বোকা মেয়ে, যাওয়ার সময় বলে যাবে না ইমরানের সাথে যাচ্ছো।
নাফিসা- বলেছি না, মায়ের কাছে। তোমাদের বিশ্বস্ত মানুষের সাথে যাচ্ছি। না বুঝলে আমি কি করবো!
মাহিন- মা তো এটা জানতো না ইমরান ঢাকা আসবে। মা বুঝে নিয়েছে আমার সাথে গেছো। ভার্সিটি থাকতেই কল করেছিলো। আমি বলেছি আমি ভার্সিটিতে, আর নাফিসা এখানে আসেনি! উনি আরো বেশি টেনশনে পড়ে গেছে। বাসায় এসে যখন শুনলাম তখন ইমরানের কাছে ফোন দিলাম! আর ফোন সাইলেন্ট থাকে কেন তোমার ?
নাফিসা- বদ অভ্যাস! হিহিহি…..
মাহিন- অভ্যাস পাল্টাও।
মা, শান্তা আপুও রেগে আছে নাফিসা বুঝতেই পারছে। ইমা আপু, ইমরান ও ফাহিম ভাইয়া ১০ মিনিটের মতো সময় নিয়ে সবার সাথে দেখা সাক্ষাৎ করে বেরিয়ে গেলো নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে।
.
রাতে ডিনার করে নাফিসা পার্স থেকে ফোন বের করতে গেলে দেখলো পার্সে এক হাজার টাকার নোট দেখা যাচ্ছে।টাকা হাতে নিয়ে দেখলো দুইটা এক হাজার টাকার নোট! এতো টাকা এলো কিভাবে পার্সে! ইমরান ভাইয়া রেখেছে! নাফিসা ইমরানকে কল করলো,
ইমরান- হ্যালো।
নাফিসা- বাসায় ফিরেছো?
ইমরান- হুম, আরো এক ঘন্টা আগে।
নাফিসা- আমার পার্সে টাকা রেখেছো তুমি?
ইমরান- আমি কেন রাখতে যাবো!
নাফিসা- তুমি না রাখলে আমার পার্সে টাকা এলো কিভাবে?
ইমরান- আমি কি জানি! রেখেছে হয়তো কেউ। আহ, এমন করে যদি আমার ওয়ালেট টা ভরে যেত! হাহাহা….
নাফিসা- স্টুপিড, টাকা রেখেছো কেন? কিসের টাকা?
ইমরান- রেস্টুরেন্ট বিল।
নাফিসা- ওওওওও! ভালোই হলো, কিন্তু রেস্টুরেন্ট বিল তো তেরোশো সত্তর টাকা ছিলো, দুই হাজার দিয়েছো কেন? বাকিটা কি বোনাস?
ইমরান- যা ইচ্ছে ভেবে নে। সাড়ে দশটা বাজে, এখনো ঘুমাসনি কেন?
নাফিসা- দিনে অনেক্ক্ষণ ঘুমিয়েছি, এখন ঘুম আসবে না।
ইমরান- রাত জাগবি না, শুয়ে পড়। আমিও ঘুমাবো। আল্লাহ হাফেজ।
নাফিসা- আল্লাহ হাফেজ।
কল কাটার পর মনে হলো, আসল কথাটাই তো জিজ্ঞেস করা হয়নি!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here