অদ্ভুত_মেয়ে (season 2) Part- 2

0
4136

অদ্ভুত_মেয়ে (season 2)
Part- 2
Writer: #Nur_Nafisa
.
.
একটু পর মাহিন ভাইয়া এসে বললো “উনারা এসে গেছে “। ইমা আপু বাইরে বেরিয়ে গেলো। এদিকে আমার সাজুগুজু ও শেষ। একটু বেশিই সাজিয়ে ফেলেছে আপুরা। তাড়াহুড়ো বিয়েতে মেয়েদের বাসায় যেমনটা সাজায়, আমার সাজটাও অনেকটা সেরকম ই। যাইহোক আমাকে দেখতে খারাপ লাগছে না। কয়েকটি সেলফি তুলে নিলাম। ইচ্ছে করছে ছো মেরে দৌড়ে দেখে আসি মেহমানদের। সেটা কি সম্ভব!
– আপু মেহমানদের সামনে কখন যাবো?
শান্তা- এতো তাড়া কিসের? যখন ডাকবো তখন যাবি।
নাফিসা- জুস কিন্তু আমি সার্ভ করবো…
শান্তা- কেন!
নাফিসা- সিনেমাতে দেখো না, মেয়েরা মাথায় বড় ঘোমটা টেনে মেহমানদের সামনে শরবত নিয়ে যায়.. হিহিহিহি…
শান্তা- হাহাহা…. আচ্ছা।
ইমা আপু এসে বললো আমাকে ড্রইং রুমে যেতে। আমিও মাথায় ছোট ঘোমটা টেনে বের হচ্ছিলাম সাথে শান্তা আপুও। এমন সময় মাহিন ভাইয়া এসে সামনে দাড়ালো, ভাইয়ার মুখ বিকৃতি আকার ধারণ করেছে…!
মাহিন- ফ্রিজে জুস রেখেছে কে?
শান্তা- নাফিসা বানিয়েছে মেহমানদের জন্য। কেন খাবে তুমি? আমি আলাদাভাবে বানিয়ে দেবো ?
মাহিন- না, তৃপ্তি মিটে গেছে।
নাফিসা- ওস্তাগফিরুল্লাহ! ভাইয়া কি অরেঞ্জ জুস খেয়েছে! কথাটা আমার দিকে তাকিয়ে বলেছে, নিশ্চয়ই খেয়েছে! আমি ভাইয়াকে ইশারা করে না করলাম কিছু বলতে, ভাইয়া হেসে আবার ড্রইং রুমে চলে গেলো। ড্রইং রুমে সমাগম বেশি মনে হচ্ছে, লোকজন অনেক এসেছে নাকি! আপু কি যেন নিতে খাটের পাশে গেলো আমি একটু এগিয়ে আমার রুম থেকে বেরিয়ে ড্রয়িং রুমের দিকে গেলাম। মানুষজন দেখে তো আমি অবাক! নানু বাসার সবাই এসেছে!!! কিন্তু ওই মেহমানরা কোথায়!!! মামারা এখানে নেই, ভাইয়ারাও নেই, শুধু মা, মামীরা আর ইফাজ, রিয়াদ(রেহানের ভাই, বয়স ২বছর), হিমেল (হিমার ভাই, বয়স ৩বছর) এখানে। শান্তা আপু আমাকে আর একটু সামনে ধাক্কা দিয়ে নিয়ে মামীদের উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলো,
শান্তা- এই যে তোমাদের বাড়ির বউ।
নাফিসা- আপু কি বলছো এসব?
শান্তা- কেন?
নাফিসা- মা যে বললো আমাকে দেখতে মেহমান আসবে!
শান্তা- হুম, ইমরান ভাইয়ার জন্যই তো মামীরা দেখতে এলো তোকে। আজ তোর এনগেজমেন্ট। কেমন লাগলো সারপ্রাইজ টা?
নাফিসা- আপুর কথা শুনে আমার তো স্ট্রোক করার পালা! বড় মামী সোফা থেকে উঠে এসে আমার থুতনি ধরে বললো, “মাশাল্লাহ! নাফিসা কি যাবে না আমাদের বাড়ির বউ হয়ে?” আমি কি বলবো কিছুই বুঝতে পারছি না। এমনি মেইন দরজা দিয়ে ইমরান ভাইয়া, মাহিন ভাইয়া, ফাহিম ভাইয়া, হিমা, হিয়া, সাঈদ ও রেহান এলো। এতোক্ষণ কোথায় ছিলো! ছাদে নাকি! হিমা হিয়া দৌড়ে এলো আমার কাছে…
হিমা- ওয়াও আপু! কতো কিউট লাগছে তোমাকে!
হিয়া- একদম বউ বউ লাগছে আপু….
নাফিসা- আর তোদের একদম পেত্নি পেত্নি লাগছে।
হিমা- হিহিহিহি!
নাফিসা- আমি ইমরান ভাইয়ার দিকে তাকিয়ে আছি। রাগে আমার গা ঝিমঝিম করছে! মন চাচ্ছে চিবিয়ে খেয়ে ফেলি সবগুলাকে! ইমরান ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো কিছুক্ষণ পরে আবার ভাইয়াদের সাথে সোফায় বসলো। আমি রেগে মাথা থেকে ঘোমটা ফেলে দ্রুত পায়ে আমার রুমে চলে এলাম, বিষয়টা সবাই লক্ষ্য করেছে। শান্তা আপু পেছন থেকে ডাকছিলো, কে শুনে কার কথা! আমি রুমে এসে দরজা টা খুব জোরে ধাক্কা দিয়ে লাগালাম কিন্তু লক করি নি। শব্দটা হয়ত ড্রয়িং রুমে পৌছে গেছে। খাটে বসে পা ঝোলাতে লাগলাম। প্রচুর রাগ হচ্ছে, কান্না করতে ইচ্ছে করছে আমার, সবাই এমন কেন! একটা বার বললে কি হতো! হাতের চুরিগুলো সব খুলে ফেললাম। আমার সব প্ল্যান শেষ করে দিলো!!! এতোক্ষণ ধৈর্য ধরে এবার দুচোখ গড়িয়ে পানি পড়েই গেল…. দ্রুত গতিতে ইমা আপু এলো আমার রুমে। দরজা পর্যন্ত এসে আমাকে খাটে বসে থাকতে দেখে বড় একটা নিশ্বাস ছাড়লো। তারপর দরজা লক করে এসে আমার পাশে বসলো।
ইমা- কি হলো তোর? এভাবে চলে এলি কেন?
নাফিসা-…
ইমা- নাফিসা, ইমরানকে কি পছন্দ না?
নাফিসা-….
(আমি কোন জবাব দিচ্ছি না, শুধু নিরবে টুপটাপ চোখের জল ফেলছি। আপু খাটে পা তুলে বসলো, তারপর আমার মুখটা দুহাতে ধরে আপুর দিকে ঘোরালো।)
ইমা- দেখ নাফিসা, বাবা-মা আর ফুপা ফুপি তোরা ছোট থাকতেই তোদের বিয়ে ঠিক করে রেখেছে।
নাফিসা- (আমি অবাক হয়ে আপুর দিকে তাকালাম। আপু আবার বলতে লাগলো…)
ইমা- মুরুব্বীরা ছাড়া আমরা কেউই জানতাম না সেটা। আমি জেনেছি শান্তার বিয়ের সময়। আর বাকিরা গত ১সপ্তাহ যাবত জেনেছে। বড়রা এনগেজমেন্ট এর দিন ঠিক করলে তোকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য আমরা কিছু জানাই নি তোকে। আর ফুপা ফুপির বিশ্বাস শান্তার মতো তাদের ছোট মেয়ে নাফিসাও মা-বাবার ইচ্ছের উপর নির্ভরশীল। তবুও এনগেজমেন্ট এর দিন ঠিক হওয়ার পর ফুপা, ফুপি তোর সাথে কথা বলতে চেয়েছিলেন কিন্তু আমি আর শান্তা উনাদের না করি সারপ্রাইজটা দেয়ার জন্য। এখন মনে হচ্ছে তুই সারপ্রাইজড না হয়ে কষ্ট পেয়েছিস। সরি, তোকে এভাবে কষ্ট দিতে চাইনি।
ইমরানকে পছন্দ না হলে, এই বিয়েতে তোর ইচ্ছে না থাকলে বলতে পারিস। সংসার তুই করবি, এখানে তোর মতামত বেশি ইম্পর্ট্যান্ট। আর আমরা তো একই পরিবার, তাই তুই না করলে এখানে মোটেও কোন সম্পর্কের ফাটল ধরবে না। সবাই তোকে সবচেয়ে বেশি আদর করে, আর তোর সিদ্ধান্তকেই বেশি গুরুত্ব দিবে। (নাফিসার চোখের পানি মুছে দিয়ে) এভাবে কান্না না করে আমাকে সবটা বল। বাকিরা টেনশন করছে…
তুই কি অন্য কাউকে পছন্দ করিস?
নাফিসা- (মাথা নেড়ে না সূচক জবাব দিলাম।)
ইমা- তাহলে, ইমরানকে হাসব্যান্ড হিসেবে পছন্দ নয়?
নাফিসা- আমি কি একবারও বলেছি তোমাদের, যে ভাইয়াকে পছন্দ নয়!!!
ইমা- তাহলে এমন রিয়েক্ট করার মানে কি?
নাফিসা- মানে হচ্ছে কত প্ল্যান করে রেখেছিলাম আমি। আর তোমরা সবাই মিলে আমার প্ল্যান মাটি করে দিলা।
ভেবেছি বিয়ের জন্য মেহমান আমাকে দেখতে এলে যদি পাত্র মনের মতো না হয় তাহলে স্পেশাল মেনু দিয়ে কয়েকটা সমন্ধ তাড়াবো। আর যদি পাত্র আমার মনের মতো হয় আর বাবামায়ের পছন্দ হয় তাহলে পাত্রের ৩৬০° ক্লাস নিয়ে দেখবো সে আমাকে গ্রহণ করে কিনা। আমার সকল ধাওয়া যদি সহ্য করতে পারে তাহলেই আমি সে সমন্ধে রাজি থাকবো। আর বেশ কয়েকবার আমাকে দেখতে আসবে, প্রতিবারই মুঠো ভর্তি সেলামি দিয়ে যাবে। সেখানে তোমরা কি করলা! কচুর সারপ্রাইজ দিতে প্রথম দেখাতেই এনগেজমেন্ট, তারপর বলবা দ্বিতীয় সারপ্রাইজ দিতে গিয়ে একেবারে বিয়ে!! বিয়ে তো একবারই হয়, একটু মজা না করলে হয়!!! আর সেখানে তোমরা এসে প্ল্যান এর ১২টা বাজিয়ে দিয়েছো….
(ইমা আপু এতোক্ষণ হা করে আমার কথা শুনছিলো, আর এখন রুম কাপিয়ে হাসছে!)
ইমা- হা হা হা হা….. #অদ্ভুত_মেয়ে, তো তোকে মজা করতে নিষেধ করলো কে! এখন কি মজা করা যাবে না! ইমরানের পরিবার ও আসবে তোকে বেশ কয়েকবার দেখতে আর সালামি আদায়ের কৌশল তো নাফিসারই ভালো জানা, এটা আর আমার বলা প্রয়োজন আছে নাকি! তুই যেভাবে চাইবি সেভাবেই হবে। এখন তুই আমাকে এটা বল আজ ইমরান নাফিসার এনগেজমেন্ট হবে কি না?
নাফিসা- হবে।
ইমা- (গম্ভীরভাবে) ভেবে বলছিস তো, এনগেজমেন্ট কিন্তু বিয়ের ই একটা অংশ। নাফিসা কিন্তু ইমরানের হয়ে যাবে…..
নাফিসা- (চুড়ি পড়তে পড়তে) ভয় দেখানোর চেষ্টা করছো? নাফিসাকে ভয় দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। তোমার ভাইকে আমি ভয় পাই না, আমাকে উল্টো ভয় পায় সবাই, হুহ্!
ইমা- হা হা হা…. জানি আমি। দেখি একটু, চোখের পানিতে মেকাপ ধুয়ে নিয়েছে একেবারে….
নাফিসা- (আপু মেকাপ ঠিক করে দিলো, আমি আবার আয়নায় নিজেকে দেখে নিলাম। হ্যাঁ ঠিক আছে সব। মাথায় আবার টিকলি পর্যন্ত ছোট করে ঘোমটা টেনে নিলাম। আবার আপুকে দেখতে বললাম সব ঠিক আছে কি না…! আপু আমার কপালে চুমু দিয়ে বললো…)
ইমা- থ্যাংক ইউ সো মাচ মাই লাভলী সিস্টার। তাহলে খুব শীঘ্রই ভাবি হতে যাচ্ছেন!
নাফিসা- খবরদার, কখনো ভাবি বলেছো তো। আমি সবসময় তোমার ছোট বোন ই আছি।
ইমা- হাহাহা…. (নাফিসার গাল টেনে দিয়ে) আমি কেন ভাবি ডাকতে যাবো! একে তো আমার ছোট বোন, অন্যদিকে আমার ছোট ভাইয়ের বউ! বড় ভাইয়ের বউ না তো যে ভাবি ডাকবো! সম্পর্ক টা আমাদের ঠিক এমনই থাকবে এখন যেমন টা আছে। চল এবার…..
নাফিসা- (আপুর সাথে ড্রয়িং রুমে এলাম। বাবা ও মামারাও এসে গেছে। পিচ্ছিগুলো দৌড়াদৌড়ি করছে আর বড়দের সবার মুখেই চিন্তার ছাপ দেখা যাচ্ছে। শুধু ইমা আপুর মুখে হাসি! সবাই আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছে…..)
– এভাবে আমাকে দেখছো কেন? আমি কি এলিয়েন নাকি! তোমাদের কি কাজ আছে তাড়াতাড়ি শেষ করো। আমার ক্ষুধা লাগছে…
(আমি একপ্রকার হেসে কথাগুলো দ্রুত বলে ফেললাম, আমার কথা শুনে বাকিরাও সমানতালে হাসলো। তারপর আংটি পড়ানোর পর্ব শেষ হলো। আংটির সাইজটা মাঝারি, ডিজাইন টা খুব সুন্দর। কিন্তু আমার গহনা পড়তে ভালো লাগে না।)
শান্তা- নাফিসা, এই আংটি কিন্তু পড়ে থাকতে হবে। খুলবি না…
নাফিসা- পরে দেখা যাবে…
ইমা- সালাম কর সবাইকে….
নাফিসা- সালামি রেডি রাখো….
(একে একে সবাইকে সালাম করতে লাগলাম আর সবার কাছ থেকেই সালামি পেলাম। প্রথমে বাবা-মা তারপর মামা-মামী, ভাইয়া আপুদেরও বাদ রাখিনি। সবার কাছ থেকেই সালামি পেয়েছি যদিও সালাম করেছি শুধু মা-বাবা, বড় মামা, বড় মামি আর মেঝ মামাকে। আর কেউ সালাম করতে দেয় নি। মায়ের কাছ থেকে সালামি বাকি আছে পরে দিবে )
ইমরান- হা হা হা…. নাফিসা, টাকা তো মুঠোয় নিচ্ছে না। আমি হেল্প করবো?
নাফিসা- কোনো প্রয়োজন নেই…ইমা আপু ধরো…
তোমাকেও সালাম করতে হবে?
ইমরান- না, লাগবে না।
নাফিসা- আমার লাগবে..
ইমরান- কি?
নাফিসা- সালামি….
ইমরান- পকেটে টাকা নাই
নাফিসা- ওয়ালেটে আছে, তুমি দিবা নাকি আমি নিবো?
ইমরান- আচ্ছা, আমিই দিচ্ছি। নাফিসাতো ৫টাকা পেলেও খুশি তাই না?
নাফিসা- আমি তো কাউকে এমাউন্ট বলে দেইনি….
(ইমরান ভাইয়া পকেট থেকে ওয়ালেট বের করে ২ হাজার টাকা দিলো। তবে হাইস্ট ছিলো বড় মামা। ৫ হাজার টাকা দিয়েছে। বাকিদের টা আর দেখিনি।)
ফাহিম- আহা, কতো টাকা! নাফিসা তো আজ আমাদের ট্রিট দিবে, তাই না?
নাফিসা- অবশ্যই…
ফাহিম – কোথায়?
নাফিসা- সাঈদের রুমে যান…
(মা চলে গেলো খাবার রেডি করতে। আমি ফ্রিজ থেকে ম্যাংগো জুস নামিয়ে শান্তা আপুর হাতে দিলাম মামা-মামীদের দেয়ার জন্য। হিমা, হিয়া আর ভাইয়ারা সাঈদের রুমে চলে গেলো। আমি অরেঞ্জ জুসের জগ নিয়ে সাঈদের রুমে চলে গেলাম।সাথে ২টা গ্লাস আনলাম। অরেঞ্জ জুস দেখেই মাহিন ভাইয়া বললো….. )
মাহিন- আমি খেয়েছি, এখন আর খাবো না। ইমরান খাও আমার টা….
নাফিসা- এতো কষ্ট করে বানালাম, পুরো জগ শেষ করতে হবে বলে দিলাম।
ইমরান- ব্যাপার না…
( ইমরান ভাইয়া উঠে এসে আমার হাত থেকে গ্লাস ও জগ নিয়ে নিলো। ফাহিম ভাইয়াকে এক গ্লাস দিয়ে ভাইয়া নিজে ১গ্লাস নিলো। দুজনেই জুস মুখে নিয়ে আমার দিকে বড় বড় চোখ করে তাকালো! মাহিন ভাইয়া হাসছে, আমিও হাসতে হাসতে আবার বললাম, “পুরো জগ শেষ করতে হবে। ” ফাহিম ভাইয়া জুস মুখে নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো আর ইমরান ভাইয়া কোন মতো গলা দিয়ে নামিয়ে নিলো..)
ইমরান- হিমা, হিয়া খাবি না? নে ধর…
নাফিসা- (আমি হাসতে হাসতে সেখান থেকে আমার রুমে চলে এলাম। ওমা!! এ কি দেখছি! সাঈদ, রেহান কি সুন্দর করে পায়ের উপর পা তুলে আমার খাটে শুয়ে দুজনে দুই মোবাইল নিয়ে গেমস খেলছে! সাঈদের হাতে মেবি মাহিন ভাইয়ার ফোন আর রেহানের হাতে আমার ফোন!)
– কি রে! তোরা এখানে! ওদিকে ভাইয়ারা তোদের রেখেই সব সাবাড় করছে!!
রেহান- কি?
নাফিসা- বলবো কেন! গিয়ে দেখ…
(দুজনেই উঠে দৌড়। আমি হাসতে হাসতে আমার রুমের জানালার পাশে দাড়ালাম। বাইরে থেকে খুব সুন্দর বাতাস আসছে। আমার ফোনটা নিয়ে কয়েকটা সেলফিও তুলে নিলাম। ড্রয়িং রুমে আংটি পড়ানোর সময়ও ইমরান ভাইয়ার ক্যামেরায় অনেক গুলো ছবি তুলছে সাঈদ আর রেহান। এখন বাতাস টা খুব গভীর ভাবে অনুভব করতে লাগলাম…. হঠাৎ পেছন থেকে ইমরান ভাইয়া বলে উঠলো….)
.
.
চলবে….
.
[ আপনাদের কমেন্ট পড়ে নাফিসা অনুপ্রাণিত। এতোদিনেও অদ্ভুত মেয়েকে আপনারা ভুলে যাননি। যাইহোক, এখন আপনাদের কি মনে হয়, ইমরান কি বলতে এসেছে নাফিসাকে? ]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here