অদ্ভুত_মেয়ে (season 2) Part- 5

0
3173

অদ্ভুত_মেয়ে (season 2)
Part- 5
Writer: #Nur_Nafisa
.
.
নাফিসা- ভাইয়া, আইস্ক্রিম খাবো।
ইমরান- হাবিজাবি এতো খাবার নেশা কেন! শুধু আমার পকেট খালি করার ধান্দা!
নাফিসা- সারাদিনে ৫০টাকার বাদাম খায়িয়ে খোটা দাও! সব খরচ তো ভাইয়ারাই করলো। ফাহিম ভাইয়া সবার টিকেট কাটলো, মাহিন ভাইয়া রেস্টুরেন্ট বিল দিলো। তুমি কি করছো?
ইমরান- আমি কেন করবো! ভাইয়ারা করছে কারণ ওরা তো দুলাভাই।
নাফিসা- ওহহ! হ্যাঁ! তুমিও আমার দুলাভাই, দাও টাকা দাও।
(ইমরান হতবাক হয়ে তাকিয়ে আছে! এই মেয়ে কি বলে এইটা! দুদিন পর যে তার বর হবে আজ তাকে দুলাভাই ডাকে!!)
নাফিসা- এমন করে তাকিয়ে আছো কেন? দুলাভাই হলেই যখন খাওয়াবে, তাহলে খাওয়ার সময় সবাই দুলাভাই! এখন ঋণ করে হলেও আইস্ক্রিম খাবো। ৫০টাকা ধার দাও, বাসায় গিয়ে দিয়ে দিবো।
ইমরান- এখানে দাড়া, আমি নিয়ে আসি।
নাফিসা- না, আমিই যেতে পারি।টাকা দাও।
( ইমরান ওয়ালেট থেকে ১০০টাকার নোট বের করে নাফিসার কাছে দিলে নাফিসা ফেরি থেকে ৫০টাকা দামের কোণ আইস্ক্রিম কিনে আনলো। বাকি ৫০টাকা ইমরানকে ফেরত দিলো।)
ইমরান- কোণ আইস্ক্রিম ও কি অর্ধেক আমার?
নাফিসা- এহহ! লজ্জা করে না চাইতে! আমার নিজের টাকা দিয়ে কিনছি।
ফাহিম- আইস্ক্রিম নিয়ে যুদ্ধ! ওরা বাসায় চলে গেছে, তোমরা কখন যাবে?
নাফিসা- এখনি যাবো। একটা কাজ বাকি আছে।
ইমরান- আবার কি?
নাফিসা- আমি যখন বলবো দৌড়াও, সাথে সাথে দৌড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠবা। বুঝতে পারছো…
ফাহিম- মানে কি? বুঝলাম না কিছুই!
নাফিসা- এখনি সব বুঝবেন, আর আমি যা বললাম তা করবেন। (ইমরানের দিকে আইস্ক্রিম এগিয়ে দিয়ে) ভাইয়া এটা ধরো। না তোমার সাথে বিশ্বাস নেই, খেয়ে ফেলবা তুমি। ভাইয়া আপনি ধরুন।
(ফাহিম ভাইয়ার কাছে আইস্ক্রিম দিয়ে নাফিসা একটু সামনে এগিয়ে গেলো। একটা মেয়ে আর একটা ছেলে ব্রিজের রেলিং এর পাশে গা ঘেঁষে দাড়িয়ে কথা বলছে।হঠাৎ পেছন থেকে নাফিসা ধমক দিয়ে.. )
নাফিসা- এই স্টুপিডের দল, লজ্জা করে না রাস্তায় এভাবে গা ঘেঁষে দাড়িয়ে কথা বলতে! বাসার লোক জানে এখানে এসেছিস? যা, যার যার বাসায় যা। পরবর্তীতে যদি আবার একসাথে দেখি, দুজনের বাসায়ই খবর পাঠাবো বলে দিলাম! বিয়ে হয়নি এতো কিসের ঘুরাঘুরি! এতো কিসের প্রেম! হ্যাঁ? যত্তসব ইডিয়ট!
(ফাহিম ও ইমরান দুজনেই হা হয়ে আছে নাফিসার কান্ড দেখে। এদিকে ছেলেমেয়ে দুজনই অবাক! নাফিসার কথা শুনে দুজনের মুখেই ভয়ের ছাপ স্পষ্ট! নাফিসা রাগিমুডে কথাগুলো বলে দু-তিন কদম আস্তে আস্তে হেটে তারপর জোরে দিলো এক দৌড়! “ভাইয়া, দৌড়াও” বলার সাথে সাথে ইমরান আর ফাহিম ও দৌড়ে গাড়িতে উঠে পড়লো সবাই। ফাহিম ড্রাইভিং সিটে, ইমরান আর নাফিসা পেছনের সিটে! গাড়িতে উঠার সাথে সাথে ফাহিম গাড়ি স্টার্ট করলো। ব্রিজ থেকে একটু দূর এগিয়ে গাড়ি ব্রেক করলো। তারপর একসাথে ৩ জন ই অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো!বেশ কিছুক্ষণ একাধারে তাদের হাসি চললো! এক একজন পেট চেপে ধরে হাসছে!)
ফাহিম- হাহাহা…. এটা কি হলো নাফিসা!
নাফিসা- হিহিহিহি…. কি হলো আবার! ওরা ভয় পেলো, আমরা দৌড়ে মজা পেলাম, আর দৌড়ানোর ফলে আমাদের ব্যায়াম হলো, ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
ইমরান- হাহাহা… সত্যিই অনেক মজার ছিলো! কিন্তু তুই জানলি কিভাবে ওরা বিয়ে করেনি?
নাফিসা- আইস্ক্রিম আনতে যাওয়ার সময় শুনেছি মেয়েটি বলছিলো তার বাসা থেকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। ভাইয়া, আমার আইস্ক্রিম কই?
ফাহিম- নাও…
নাফিসা- গলেই তো গেছে অর্ধেক! ধ্যাত!
(ফাহিম ভাইয়া এবার একটানে গাড়ি চালাতে লাগলো। ইমরান নাফিসার পাশে বসে প্যাকেট থেকে বাদাম খাচ্ছে। নাফিসা আইস্ক্রিম খেয়ে গাড়ি থেকে টিস্যু পেপার নিয়ে হাত মুখ মুছে নিলো। ইমরানের ফোনটা দুজনের মাঝে সিটের উপরই রাখা ছিলো। নাফিসা ফোনটা নিয়ে সাউন্ড বাড়িয়ে ইউটিউবে পূজার আর মিলনের “চুপি চুপি” গান ছেড়ে মোবাইলটা উল্টে আবার সিটে রেখে দিলো। পাশাপাশি বসে আছে একজোড়া ফিওন্সি আর সাথে বেজে চলেছে রোমান্টিক গান! ফাহিম ভাইয়া একহাতে গাড়ির টপ মিররটা উল্টো করে রাখলো। ইমরান ও নাফিসা দুজনেই তাকালো। ইমরান হয়তো বুঝতে পেরেছে ভাইয়া কেন এটা করলো তাই নিরবে হাসছে। কিন্তু নাফিসা না বুঝতে পেরে একবার ফাহিমের দিকে তাকালো আবার ইমরানের দিকে তাকালো। ইমরান সিটে হেলান দিয়ে বাইরে তাকিয়ে নিরবে হাসছে আর বাদাম খাচ্ছে। হাসির কারণ নাফিসা জিজ্ঞেস করতে গিয়েও করলো না। জানালায় হেলান দিয়ে একমনে বাইরে তাকিয়ে আছে আর গান শুনছে নাফিসা। আর গান বেজে চলেছে…. ♪ ♪
.
আমার এমন সারাটি ক্ষন তোমায় শুধু চায়,
দুরে দুরে থাকো তুমি বোঝোনা তো হায়…২
জানো না তুমি তোমায় কত ভালবাসি
তোমারই টানে শুধু ফিরে ফিরে আসি
চুপি চুপি ডাকি তোমায় আমার কাছে আসনা, মনের মাঝে মনটা রেখে একটু ভালোবাসোনা…২
যত ভাবি লাগে যে বড় ভালো, তুমি আমার মনেরি ঘরে আলো…২
জানো না তুমি তোমায় কত ভালবাসি,
তোমারি টানে শুধু ফিরে ফিরে আসি,
চুপি চুপি ডাকি তোমায় আমার কাছে আসো না মনের মাঝে মনটা রেখে একটু ভালোবাসোনা…২
যদি না পাই বল কি করে বাঁচি, ইচ্ছে করে থাকি যে কাছাকাছি…২
জানো না তুমি তোমায় কত ভালবাসি,
তোমারই টানে শুধু ফিরে ফিরে আসি
চুপি চুপি ডাকি তোমায় আমার কাছে আসনা
মনের মাঝে মনটা রেখে একটু ভালোবাসোনা..২
#By_Milon_Puja
.
বাসায় এসে এক একজন ক্লান্ত হয়ে সোফায় বসে পড়লো। মাহিন স্যার সোফায় বসে টিভিতে নিউজ দেখছে, সাথে শান্তা আর ইমা আপুও।)
শান্তা- এতো দেড়ি কেন আপনাদের?
নাফিসা- আমরা রাস্তায় কাবাডি খেলে এসেছি তাই দেড়ি।
মাহিন- কোথাও ঘুরতে গিয়েছো নিশ্চয়ই?
নাফিসা- হুম, হাতির ঝিল।
ইমরান- শুধু কি ঘুরেছি! ড্রামাও দেখেছি! হাহাহা….
শান্তা- ভালোই তো! আরেকজন গাড়ি টেনে সোজা বাসায় আনছে!
মাহিন- আমার কি দোষ! তোমরাই তো এক একজন রাস্তায়ই ঘুমায় যাও! তাইতো চলে এসেছি, আবার বাবু বাসায়!
ইমা- না, চলে আসাই ভালো হয়েছে।
নাফিসা- রাগ করো না মিসেস সৈয়দা মাহিন , নাও বাদাম খাও…
মাহিন- হাহাহা…. একটা হিসাব মিললো না! তোমাদের ভাইবোনের সবার নামের সাথে কারো না কারো নামের মিল আছে, কিন্তু নাফিসার নামের মিল কারো সাথে নেই কেন?
শান্তা- কে বলছে নেই! নাফিসার নামেরও মিল আছে।
মাহিন- কার সাথে?
নাফিসা- আমি বলছি, সৈয়দা নূর শান্তা, সাঈফা নূর নাফিসা ও সাঈদ আল হাসান।
মাহিন- তোমার নাম সাঈফা! জানতামই না!
নাফিসা- এই যে এখন জানলেন।
শান্তা- নাফিসার নাম ইমরান ভাইয়ার সাথেও মিল আছে। ভাইয়ার নাম সাঈফ আল ইমরান।
নাফিসা- এএএএ! তোমার নামে আবার সাঈফ যুক্ত হলো কবে?
ইমরান- আমার জন্মের পরে আর তোর জন্মের আগে।
নাফিসা- সত্যিই সাঈফ ইমরান তুমি?
ইমরান- সার্টিফিকেট দেখাতে হবে?
নাফিসা- দূর!!
( সবাই হাহাহোহো করে হাসলো। বাদামের প্যাকেট ইমা ও শান্তার সামনে সেন্টার টেবিলে রেখে নাফিসা ফ্রেশ হতে চলে গেলো। রুমে এসে হিজাব টা খুলেছে মাত্র এমন সময় ইমা আপু নাফিসাকে জোরে ডাকতে শুরু করলো। নাফিসা পার্স থেকে ৫০টাকা সাথে নিয়ে আবার ড্রয়িং রুমে এলো।)
নাফিসা- ডাকছো কেন?
ইমা- এগুলো বাদাম?
( নাফিসা টেবিলে তাকিয়ে দেখে সব বাদামের খোসা! রেগেমেগে ইমরানের দিকে তাকালো।)
নাফিসা- সব বাদাম খেয়ে প্যাকেটের ভেতর খোসা রেখে দিছো!!
ইমরান- আমি একা খাইছি?
নাফিসা- আমি কি খোসা প্যাকেট এ রাখছি!
ইমরান- রাস্তায় খোসা ফেলে পরিবেশ দূষণ করার মানে হয়! তাই প্যাকেট এ জমা করছি। হাহাহা….
( মা ডকলো সবাইকে খাওয়ার জন্য। নাফিসা বললো সে খাবে না। ইমরানের হাতে ৫০টাকা দিলে ইমরান অবাক হয়ে তাকালো নাফিসার দিকে… )
নাফিসা- নাও তোমার টাকা।
ইমরান- কাল না দুই হাজার টাকা দিলাম, ওটাও ফেরত দে।
নাফিসা- দাত ভেঙ্গে ফেলবো একদম!
(রেগে ইমরানের হাত থেকে টাকা নিয়ে আবার রুমে চলে গেলো। ইমরান হাহাহোহো করে হাসতে লাগলো। ইমরান, ফাহিম ফ্রেশ হয়ে এলে নাফিসা ছাড়া সবাই খেতে বসলো। নাফিসার বাবা মাহিকে কোলে নিয়ে বসে আছে। নাফিসা ফ্রেশ হয়ে এসে মাহিকে কোলে নিলো বাবার কাছ থেকে। )
নাফিসা- বাবা তুমি ঘুমাও, যাও। আপু, ইফাজ সাঈদ কোথায়?
ইমা- সাঈদের রুমে ঘুমায়।
নাফিসা- শান্তা আপু, তুমি খেয়ে আমার রুমে চলে এসো। ইমরান ভাইয়া ও মাহিন ভাইয়া সাঈদের সাথে সাঈদের রুমে যাবে, আর ইমা আপুরা তোমার রুমে।
শান্তা- ওকে।
(নাফিসা মাহিকে নিয়ে নিজের রুমে চলে গেলো। একটু পাগলামি করলেও নাফিসা কাজগুলো খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে করে। কে কোথায় থাকবে সব নির্ধারিত করে দিয়ে এলো। খাওয়া শেষে ইমরান চার্জারের জন্য নাফিসার কাছে এলো। দরজা হালকা চাপানো থাকায় নক করলো, কোন সাড়া না পেয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলো। নাফিসা মাহিকে সাথে নিয়ে ঘুমিয়ে আছে। পড়নে তার সুতি সাদা জামা আর আকাশী রঙের পাজামা-ওড়না। চুলগুলো ছাড়া। ফ্যানের বাতাসে ওড়না ও চুল উড়ছে। মাহিকে এমনভাবে জরিয়ে শুয়ে আছে মনে হচ্ছে মা মেয়ে শুয়ে আছে। ইমরান মলিন হাসলো। কাছে গিয়ে মাহি সহিত নাফিসার ঘুমন্ত ছবি তুলে নিলো। এদিকে ফোনের চার্জ শেষ পর্যায়! ইচ্ছে করছিলো ঘুমন্ত নাফিসাকে একটু ছুয়ে দিতে, তার কপালে একটা ভালোবাসার স্পর্শ একে দিতে! ইমরান ইচ্ছেটা সংযত রেখে টেবিলের উপর থেকে চার্জার নিয়ে বেরিয়ে এলো রুম থেকে।)
সকালে সবাই নাস্তা করার পর…
নাফিসা- আপু তুমি গোছগাছ করছো কেন? চলে যাবে?
ইমা- হ্যাঁ, থাকলাম তো। আর কতো!
নাফিসা- মাত্র ২দিন!
ইমা- আবার আসবো।
নাফিসা- ভাইয়ার সাথে যাচ্ছো?
ইমা- হুম।
নাফিসা- বিকেলে শান্তা আপুও চলে যাবে! বাড়িটা আজ ফাকা হয়ে যাবে!
ইমা- বিয়ের পর তোর ও এমন হবে। এটাই প্রকৃতির নিয়ম! ভার্সিটি যাবি না?
নাফিসা- হ্যাঁ।
(নাফিসা ও ভার্সিটি যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে গেল। ইমা আপুরা চলে গেলে নাফিসা, ইমরান মাহিন স্যারের সাথে বের হলো। গাড়িতে বসে..)
নাফিসা- ভাইয়া তোমার ফোনটা দাও।
ইমরান- কেন?
নাফিসা- কালকের ছবিগুলো নিবো।
ইমরান- শেয়ারিট অন কর, আমি দিচ্ছি।
নাফিসা- এহহ! খেয়ে ফেলবো যেমন ফোন!
ইমরান- হাহাহা…. বলা তো যায় না! তুই যেই খাদক!
নাফিসা- আর তুমি তো না খেয়ে থাকো! তাই না! পরিমাপ করে দেখো, আমার চেয়ে তিনগুণ খাবার খাও তুমি।
মাহিন- হাহাহা….
(ইমরান সামনের সিটে বসে শেয়ারে কয়েকটি ছবি দিলো নাফিসার ফোনে। বাস স্ট্যানে নেমে ইমরান চলে গেলো আর নাফিসা মাহিন স্যারের সাথে ভার্সিটি পৌছাল। বিকেলে মাহিন স্যারের সাথে শান্তা আপুও চলে গেলো। বাসায় কেমন যেন নিরবতা কাজ করছে! কয়দিন পর তো নাফিসাও চলে যাবে, তখন বাড়িতে আরো বেশি শূন্যতা কাজ করবে। এই ভেবে খুব বড় একটা নিশ্বাস ছাড়লো নাফিসার মা! রাতে ইমরান নাফিসাকে কল করলো)
নাফিসা- আসসালামু আলাইকুম।
ইমরান- ওয়ালাইকুম আসসালাম। সামনে থাকলে তো জীবনেও সালাম দেছ না! ফোনে সালাম!
নাফিসা- ফোনে অভ্যস্ত! এখন ফোন করছো কি জন্য সেটা বলো…
ইমরান- আমি তোর কোন জনমের শত্রু! বলতো আমাকে!
নাফিসা- আমি আবার কি করলাম!
ইমরান- (রেগে) হিমা, হিয়া, রেহান জানলো কিভাবে আমি তোদের সাথে কাল ঘুরতে গিয়েছি?
নাফিসা- স্বাভাবিক! তুমি কাল বাসায় যাওনি, এমনিতেই জানবে কোথাও না কোথাও গিয়েছ!
ইমরান- আচ্ছা! স্বাভাবিক! তাহলে এটা জানলো কিভাবে, যে আমরা নন্দন পার্কে ও হাতির ঝিলে গিয়েছি?
নাফিসা- হিহিহিহি…. জরিমানাস্বরূপ কি দিয়েছো তাদের ?
ইমরান- তোরে সামনে পাইলে এখন সবগুলো দাত ফেলে দিতাম!
নাফিসা- হাহাহা…. আসো আবার ঢাকায়।
ইমরান- আসবো?
নাফিসা- আমি সারাদিন পড়াশুনা করে ক্লান্ত, ঘুম পাইছে। আল্লাহ হাফেজ।
(কথাগুলো খুব দ্রুত বলে নাফিসা কল কেটে দিলো।)
.
.
চলবে……

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here