গল্পের নামঃ #বস আমার এক্স
লেখকঃ মোঃ শামীম মিয়া
পর্বঃ১২
বাসে যা ঘুমানোর ঘুমিয়েছে মামুন। তাই আর সে না ঘুমিয়ে বাহিরে চলে আসলো। এসেই দোকানে গেলো প্রথমে একটা চা খেলো। তারপর লোকলজ্জার ভয় করেও দোকানদারের কাছ থেকে সিগারেট নিলো তিনটা। দোকানদার সহ সেখানে থাকা সবাই অবাক। কারন এত বছর ধরে আছে কোন দিন মামুন সিগারেট খায়নি। সিগারেট নিয়ে সোজা বাসায় ঢুকলো। এমন সময় মামুনের বাবা ফোন দিলো
মামুনের বাবাঃ কেমন আছিস মামুন আর তোর অফিসের ভ্রমন কেমন কাটলো?
মামুনঃ এই তো বাবা ভালোই কেটেছে। বাড়ির সবাই কেমন আছো তোমরা?
মামুনের বাবাঃ হ্যাঁ সবাই অনেক ভালো আছি। তোকে একটা কথা জানাতে ফোন করেছি।
মামুনঃ হ্যা বাবা বলো তুমি কি কথা।
মামুনের বাবাঃ আমি তোর বোনের কাবিন করে ফেলেছি কালকে। তোকে জানাই নাই জার্নি করে আসতেছিলি তার জন্য। তুই বাড়ি আসলে তারপর মুন্সি ডেকে বিয়ে দিয়ে শ্বশুর বাড়ি পাঠাবো। আচ্ছা তুই বল কবে বাড়ি আসবি তুই।
মামুনঃ এখন তো বলতে পারতেছি না। তবে এক দেড় মাস পিছিয়ে নাও তারিখ।
মামুনের বাবাঃ আচ্ছা ঠিক আছে। তুই কি মন খারাপ করেছিস তোকে না জানিয়ে যে কাবিন করালাম তোর বোনের?
মামুনঃ মন খারাপ করবো কেনো বাবা। এটা তুমি ভালো কাজ করেছো। কিন্তু ওর লেখাপড়া আর কার সাথে কাবিন করালে?
মামুনের বাবাঃ তোর মামাতো ভাইয়ের সাথে। ওরা নিজে থেকে এসে প্রথমে তোর মাকে পরে আমাকে বলেছে আমরাও আর না করি নাই। বিয়ের পরও তারা তোর বোন কে পড়াবে বলেছে। তাছাড়া তোর মামাতো ভাইকে তো ভালো করেই চিনিস অনেক ভালো একটা ছেলে তাই আর অমত করি নাই।
মামুনঃ ভালো করেছো বাবা এই যুগে এমন ছেলে পাওয়া দুষ্কর। আচ্ছা মামা মামি বলে দিও দেড় মাস পর বিদায় বিয়ে একবারে দিবে।
মামুনের বাবাঃ হ্যাঁ বলবো আর শোন তোর শো-রুম দেওয়ার জন্য বড় দোকান তৈরী করেছি এখন তুই এসে নিজ হাতে তোর শো-রুম সাজাস।
মামুনঃ অনেক ভালো করেছো বাবা তাছাড়া বাড়ি গিয়ে বেকার থাকতে ভালো লাগতো না।
মামুনের বাবাঃ আর একটা কথা তুই অনুমতি দিলে তোর জন্য মেয়ে দেখা শুরু করতে পারি। আমার বাড়ি থেকে এক মেয়ে যাবে আর এক মেয়ে কে ঘরে তুলতে চাই। আর তোর যদি কোন পছন্দ থাকে তো বলতে পারিস।
মামুনঃ ছিলো বাবা সেটাও আগে এখন কেউ নেই। তোমরা মেয়ে দেখতে পারো এতে আমার কোন আপত্তি নাই।
মামুনের বাবাঃ ঠিক আছে বাবা ভালো থাকিস আজ রাখি তাহলে।
ফোন রেখে দিলো মামুন। পকেট থেকে সিগারেট বের করে টানতে লাগলো। প্রথম টান দিতেই সে কি কাঁশি, চোখ মুখ লাগ হয়ে গেছে চোখের কোণে পানি এসে গেছে। তবুও মামুন সিগারেট টানতে লাগলো কিন্তু ধোয়া গিলতে পারলো না। এভাবে তিনটা সিগারেট টানলো। পুরা রুমে সিগারেটের ধোঁয়ায় ভরা, সিগারেট টানার পরও তানহা কে মাথা থেকে সরাতে পারতেছে না। তাই রুম থেকে বের হয়ে ওই জায়গার কিছু নেশা করা ছেলেদের কাছে গেলো।
১ম ছেলেঃ কি ব্যপার ভাই হঠাৎ করে এখানে যে কোন কি সমস্যা।
মামুনঃ আমিও তোমাদের সাথে নেশা করতে চাই।
২য় ছেলেঃ সে কি ভাই আপনার মত ভালো মানুষ হঠাৎ করে কেনো নেশা করতে চান?
মামুনঃ নেশা করলে নাকি দুনিয়ার সব কিছু ভুলে থাকা যায়? আমিও এমন কাউকে ভুলে যেতে চাই, তাই তোমাদের কাছে এসেছি।
১ম ছেলেঃ না ভাই আমরা পারবো না। এসব ভালো জিনিস না শরীরের ক্ষতি হয় অনেক। আপনি ভালো মানুষ দেখবেন এমনিতেই সব ঠিক হয়ে যাবে।
মামুনঃ এমনিতে সব ঠিক হলে আজকে তোমাদের কাছে আসতাম না।
১ম ছেলেঃ কিন্তু ভাই নেশা না করাই ভালো নেশা করার দরকার নেই আপনার।
মামুনঃ যা বলছি তাই করো, কোন নেশা করলে অতি দ্রুত তাকে ভুলতে পারবো।
২য় ছেলেঃ ওই দে ভাই, প্রেমের যন্ত্রণা খুব খারাপ জিনিস। ভাই বুঝেছি কেনো এসেছেন, ওই কলকি তৈরী কর ভাই প্রথমে টান দিবে।
১ম ছেলেঃ তার আগে ভালো করে দেখ আশেপাশে কেউ আছে কি না আমি বানাচ্ছি।
২য় ছেলেটা চারদিকে ভালো করে লক্ষ করলো আশেপাশে কেউ নাই। ১ম ছেলেটা কলকি বানালো, মামুন কে ঢানতে দিলে মামুন আবারো সেই কাঁশি শুরু করে দিলো। ধীরে ধীরে একটু একটু অভ্যাস হয়ে গেলো। মামুন এখন নিয়মিত গা****জা খায়। সিগারেট তো প্যাকেট প্যাকেট কিনে রাখে মামুন। এভাবে একমাস চলে গেলো। তো সেদিন তানহার অফিসে মাসুম এসেছে, ঠিক তখনই তানহা মামুন কে তার ক্যাবিনে ডাকলো।
তানহাঃ আপনি এখানে বসে এই ফাইল গুলো ভালো করে দেখুন আর কোথায় কোথায় ভুল আছে তা ঠিক করে দেন।
মাসুমঃ এনি কি এই সব কাজ পারবে তানহা?
তানহাঃ আরে পারবে তুমি এতো চিন্তা করো না তো। এত বছর থেকে তাহলে কিসের জন্য কাজ করতেছে অফিসে।
মাসুমঃ পারলে তো ভালোই হয়।
তানহাঃ আমাদের বিয়ে তো আর ১০ দিন পর আমি না তোমাকে পেয়ে অনেক খুশি( মামুন কে শুনিয়ে)
মাসুমঃ আমি তো খুশি অনেক।
তানহাঃ আচ্ছা আমি বলছিলাম কি সন্ধ্যার সময় দুজনে বিয়ের মার্কেট করতে বের হতাম।
মাসুমঃ হ্যাঁ আব্বুও অবশ্য সে কথা বলেছিলো।
তানহাঃ আর হ্যাঁ আমি কিন্তু তোমাকে না জানিয়ে বিয়ের কার্ড ছাপাতে দিছি কিছুক্ষণের মধ্যে নিয়ে আসবে।
মাসুমঃ খুব ভালো করেছো তানহা। আগে ভাগে সবাই কে কার্ড দিলে খুব ভালো হবে।
তানহাঃ হ্যাঁ অবশ্যই, তাছাড়া এখন তো বিয়ের মাত্র ১০ দিন বাকি আছে। খুব তো ব্যস্ত হয়ে পড়বো আমরা তখন তো মনে থাকবে না।
মাসুমঃ এটাও ঠিক বলেছো তোমার দেখি বিয়ে করতে আর তর সইছে না।
তানহাঃ কোন ছোটলোকের জন্য তো আর অপেক্ষা করতে পারি না। বয়স তো আর কম হচ্ছে না, ছোটলোক তো আর সেটা বুঝলো না।
মাসুমঃ আচ্ছা ছোটলোক কাকে বলো আর ছোটলোকটা কে শুনি?
তানহাঃ কে আবার যাকে ভালোবেসেছিলাম। আসলে ছোটলোক গুলো টাকা চিনে ভালোবাসা চিনে না। আর আমিও বুঝে গেছি ছোটলোকের কাছে কোন মূল্য নেই আমার।
মাসুমঃ হয়েছে আর বলতে হবে না। সে যদি সামনে থাকতো তাহলে বোঝানো যেতো।
তানহাঃ সে সব শুনে আর আমিও তাকেই বলতেছি।
মাসুমঃ কেমন করে শুনে সে তো আর আশেপাশে নেই।
তানহাঃ ওসব বাদ দাও, তুমি কিন্তু আমাকে হলুদ লাগাতে লুকিয়ে হলেও আসবে বলে দিলাম( মামুন কে শুনালো)
মাসুমঃ এটা কেমন করে সম্ভব সেদিন তো আমারও হলুদ হবে।
তানহাঃ তোমার তো সকালে হবে আর আমার তো বিকালে হবে। তাই তুমি পরে চলে এসো কেমন।
মাসুমঃ তোমার বাড়ির লোকজন দেখলে কি বলবো বলো?
তানহাঃ কি আর বলবে, বলবে বিয়ের আগেই এত ভালোবাসা। কিন্তু আপসোস ছোটলোক টা বুঝলো না।
মাসুমঃ হুম হয়েছে আর ছোটলোক ছোটলোক করতে হবে না। লাঞ্চের সময় হয়ে গেছে লাঞ্চ করতে হবে।
তানহাঃ হ্যাঁ তাই তো আচ্ছা চলো আমরা বাহিরে রেস্টুরেন্টে খেয়ে নেই।
মাসুমঃ হ্যাঁ তা করাই যায়, এই যে( মামুন কে) আপনিও লাঞ্চ করে নেন।
তানহাঃ না না ওনার লাঞ্চ করার দরকার নেই। দেখো লাঞ্চে গেলে পরে আবার না কাজ ভুল করে।
মাসুমঃ আরে করবে না ওনারও তো খেতে হবে। আর খেলে কাজ করবে কি করে?
তানহাঃ এত সরল হইয়ো না, এদের কে মাথায় তুললে পরে নাচতে থাকবে। এত ভালোবাসা দেখাও দেখে তোমার অফিসের ফাইল নিয়ে আমার এখানে আসতে হলো।
মাসুমঃ আরে ফাইল গুলো আমার ছিলো আমি করতে পারতাম। বললে না বিয়ের জন্য মার্কেট করতে সেটা আব্বুও বলেছিলো বলে এখানে নিয়ে এসেছিলাম।
তানহাঃ হয়েছে আর বলতে হবে না। তোমার তো খুদা লেগেছে আগে চলো তো খেতে হবে তোমার। আর তুমি না খেলে শরীর খারাপ করবে তোমার।
মাসুমঃ যাচ্ছি তো চলো, এই যে ( মামুন) আপনিও দ্রুত গিয়ে লাঞ্চ করে নেন। অনেক সময় থেকে ফাইল গুলো ঠিক করতেছেন। এবার উঠে যান আপনি।
তানহা মাসুমের হাত ধরে ক্যাবিন থেকে হাসতে হাসতে বের হয়ে গেলো। তানহা চলে যাওয়ার পর মামুনের চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগলো। তানহা কেমন করে পারতেছে মামুন কে কষ্ট দিতে। তানহাও তো মামুন কে ভালোবাসতো তাহলে কেমন করে ছোটলোক বলতে পারলো একজন অপরিচিত লোকের সামনে। মামুন চোখের জল মুছে তানহার ক্যাবিন থেকে বের হয়ে মিতুর সামনে পড়লো।
মিতুঃ কি এমন কাজ ছিলো যে ম্যামের ক্যাবিনে করা লাগলো।
মামুনঃ কাজ আর কোথায় আমাকে বসিয়ে বসিয়ে কথা শুনালো।
মিতুঃ আপনি কোন উত্তর দেন নাই ম্যামের কথার?
মামুনঃ উত্তর দেওয়ার মত উত্তর ছিলো না। আর সময় আমারও আসবে আমিও উত্তর দিবো তখন।
মিতুঃ তা কি বলল, আবারো ছোটলোক বলেছে নিশ্চয়ই?
মামুনঃ বাদ দেন এসব কথা আগে চলেন লাঞ্চ করতে হবে আমাদের।
মিতুও কোন না বলে মামুনের সাথে ক্যান্টিনে গিয়ে দুপুরের খাওয়া খেয়ে নিলো। মামুন খাওয়া শেষ করে বাহিরে এসে পকেট থেকে সিগারেট বের করে টানতে লাগলো। এটা এখন মামুনের এক প্রকার রুটিন হয়ে গেছে। মামুন দ্রুত ক্যান্টিন ত্যাগ করায় মিতুর সন্দেহ হলো। মিতুও বের হয়ে মামুন কে খুঁজতে লাগলো, যখন দেখতে পেলো তখন দেখলো মামুনের ঠোঁটে সিগারেট। মিতু যখন মামুনের কাছে যাবে ঠিক সেই সময় তানহা আর মাসুম অফিসে চলে এসেছে। মিতুও দ্রুত অফিসের ভিতরে ঢুকে গেলো। মামুনও কিছুক্ষণ পর অফিসে ঢুঁকে তানহার ক্যাবিনে গিয়ে দেখে মাসুম আর তানহা চলে এসেছে।
তানহাঃ তোমাকে আগেই বললাম না, এসব লোকদের মাথায় তুলতে নেই। দেখলে তো লাঞ্চ টাইম শেষ হওয়ার কতক্ষণ পর আসলো।
মাসুমঃ আরে বাবা মানুষের দেরি হতেই পারে এতে রাগ হওয়ার কি আছে। আপনি এবার কাজ শুরু করুন।
তানহাঃ রাগ করবো না কেনো কি ভাবে কাজে ফাঁকি দিতেছে।
মাসুমঃ তানহা কাজ টা আমার আমি রাগ হচ্ছি না তুমি কেনো এত রাগ হচ্ছো?
তানহাঃ কিছুদিন পর তো তোমার কাজ আর আমার কাজ সেটা এক হবে নাকি। এখন তোমার কাজে না হয় ফাঁকি দিতেছে পরে যদি আমার অফিসের কাজেও ফাঁকি দেয় তখন?
মাসুমঃ পরের টা পরে দেখা যাবে এবার ঠান্ডা মাথায় বসে থাকো তো। আর বিয়ের কার্ড গুলো দেখো আর পারলে তোমার অফিসের সব স্টাফ কে বিয়ের কার্ড দাও। আমি বরং এনার সাথে বাকি কাজ গুলো শেষ করি।
তানহা আর কোন না বলে বিয়ের কার্ড নিয়ে অফিসের সব স্টাফ কে দিলো। সবাই বিয়ের দাওয়াত পেয়ে তো মহাখুশি। মাসুম মামুন দুজনে ফাইল গুলো দেখে দেখে ঠিক করলো। আজকে সন্ধ্যার মধ্যে মামুন কে ছেড়ে দিলো মামুন কে কিন্তু বিয়ের কার্ড দেয়নি। মামুন অফিস থেকে বের হয়ে বাইরে এসে সিগারেট টানতে লাগলো। এবারও মিতুর চোখে সেটা ধরা পরে গেলো।
মিতুঃ কি ব্যপার কবে থেকে এসব ছাঁই পাস খান।
মামুনঃ আরে আপনি এখানে যে( সিগারেট ফেললো না)
মিতুঃ আমি এসেছি তারপরও সিগারেটে টান দিয়ে যাচ্ছেন?
মামুনঃ সিগারেট তো ছেলেরা খায় তাহলে ফেলে দিতে হবে কেনো।
মিতুঃ আপনি কি সব শুরু করেছেন বলেন তো এসব করা কি ঠিক হচ্ছে।
মামুনঃ আমি আবার কি করলাম কি যে বলেন না।
মিতুঃ এই সিগারেট কেনো খাচ্ছেন আপনি। সে তো আর একজন কে হাসতে হাসতে বিয়ে করতেছে তাহলে এভাবে কেনো নিজের দেহ টা পোড়াচ্ছেন?
মামুনঃ ভুল বললেন আপনি, আমি আমার দেহ না। তার করা প্রত্যেক টা স্পর্শে আগুন লাগিয়ে দিতেছি।
মিতুঃ আপনি কি চাইলে তাকে ভুলতে পারবেন? আপনি কেনো এরকম করতেছেন। সে তো তার ক্ষতি করতেছে না। আপনি প্লিজ এসব ভুলে যান আপনার জীবনেও ভালো কেউ আসবে।
মামুনঃ হ্যা তা তো আসবেই, কিন্তু এটা ছাড়তে পারবো না।
মিতুঃ আপনি পাগল হয়ে গেছেন। আরে একটা পাগলও নিজের ভালো বুঝে আপনি বুঝতে পারতেছেন না। যার জন্য এমন করেন সে কি দেখে বা জানে। তাহলে কাকে দেখাচ্ছেন এসব আপনি খান।
মামুনঃ আপনি দেখি অনেক হাইপার হয়ে গেছেন। আমি তো আর বিশ খাচ্ছি না, সিগারেট সব শ্রেণির লোক খায়। সুতরাং এতে এত হাইপার হওয়ার কি আছে? আমি কাউকে দেখানোর জন্য খাই না।
মিতুঃ বিশের চেয়েও খারাপ এগুলো। শেষ বয়সে যদি আপনার ক্যান্সার ধরা পরে তখন? কিংবা যাকে নতুন জীবন সঙ্গী বানাবেন সে যদি জানে তার স্বামী তার এক্সের জন্য সিগারেট খায় তখন তার কেমন লাগবে একবার ভেবে দেখেছেন?
মামুনঃ জানলে কি আর না জানলে কি। ক্যান্সার এখন কম বেশি সবার হয়। আমার নসীবে থাকলে আমারও হবে। আচ্ছা চলেন আজকে একসাথে যাই কি বলেন।
মিতুঃ না আপনার সাথে আমি যাবো আপনি আমার কথা শুনেন না। আপনি এসব বাজে জিনিস খান।
মামুনঃ এখানে এই অফিসে আপনি ছাড়া আপন আর কেউ নাই। আপনিও যদি এখন এসব বলেন তো আমি কি ঠিক থাকবো। আচ্ছা এই সিগারেট খেয়ে যদি তাতে ভুলতে পারি এটা কি চান না?
মিতুঃ জীবনে প্রথম শুনলাম সিগারেট খেলে নাকি ভালোবাসার মানুষ কে ভুলা যায়। আচ্ছা ঠিক আছে একটা রিক্সা ডাকুন একসাথে যাবো আমরা।
মামুন মিতু কে নিয়ে একটু সামনের দিকে এগিয়ে গেলো। সন্ধ্যা হলে তেমন একটা রিক্সা মেলে না এই রাস্তায়। আর হলে কত শত রিক্সা যায়, মামুনের এমনিতেও দেরি হয়ে যাচ্ছে এটা কোন কথা হলো। অবশেষে একটা রিক্স দেখলো, যেই না রিক্সা টা ডাকবে অমনি একটা গাড়ি এসে মামুনের…….? খারাপ কিছু হতেও পারে। আগের মত ভালোবাসা পাচ্ছি না আপনাদের কাছ থেকে। গল্প পছন্দ হচ্ছে না মনে হয়।
চলবে কি?
সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করি এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে থাকি। আপনার সন্তান কে কোনআন এবং দ্বীনের শিক্ষা দিন। কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। দয়া করে কেউ গল্প কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না?🙏🙏🙏